ঢাকা সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

সবচেয়ে কঠিন দলগুলোর একটি এবার পিএসজি

Spread the love

লিগ ওয়ানে পিএসজি রাজা। বলা যায় এক বনে এক বাঘ। শিরোপা লড়াইয়ে পিএসজিকে চ্যালেঞ্জ করার মত দলই নেই। কিন্তু যদি আসে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার কথা?

ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় পিএসজি রীতিমত শিশু। গত দুই মৌসুম আগে পিএসজির নামও এতটা ছিল না। কিন্তু ২০১৭ সালে একসাথে নেইমার এবং এমবাপ্পেকে কিনে তাক লাগিয়ে দেয় দলটি এবং সেই থেকেই তাদের বাজার চওড়া।

পিএসজি গত দুই মৌসুমেই গ্রুপ পর্ব পাড় হয়েছিল দারুণ ভাবেই। কিন্তু গ্রুপ পর্ব পাড় হয়ে যেই না শেষ ষোলতে পা রাখে অমনি তারা হারিয়ে যায়। পরপর দুইবার তারা হেরেছে সেখানেই।

কিন্তু এখানে একটা বিষয় লক্ষ্য করার মত। সেটা হল নেইমারের অভাব। গত দুই মৌসুমেই পিএসজির গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে এক নেইমারে ভর করেই পিএসজি গ্রুপ পর্বগুলো পাড় হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দুইবারই শেষ ষোলর ম্যাচের সময় সে ইনজুরিতে পড়েছে এবং বাকিরা আর নেইমারের অভাব পূরণ করতে পারেনি।

এবার তাই নেইমার চেয়েছিল ইনজুরির পিএসজি ছেড়ে ফের বার্সালোনাতে আসার জন্য। কিন্তু পিএসজি সভাপতি নাসের আল খেলাফি অত্যান্ত দক্ষতার সাথে সব বাউন্সারগুলো যেন বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে কৌশলে ঠিকই নেইমারকে রেখে দিয়েছেন দলে।

নেইমারকে রেখে দেয়ার সাথে সাথে তিনি কাজ করেছেন আরেকটি। সেটা হল দলের শক্তি আরও বাড়িয়েছেন তিনি।

ইন্টার মিলানের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ইকার্দিকে দলে নিয়ে এসে বাড়িয়েছেন আক্রমন ভাগের শক্তি। এমনিতেই নেইমার, কাভানি, এমবাপ্পে, মটিংদের নিয়ে গড়া আক্রমন ভাগে ইকার্দি আসায় নিশ্চিত ভাবেই শক্তি বেড়েছে আরও।

অন্যদিকে মিডফিল্ডে এসেছে আন্দ্রে হেরেরার মত তারকা। কিনেছেন রিয়াল মাদ্রিদের সেরা গোলকিপার কেইলর নাভাসকে। সব মিলিয়ে পিএসজি এবার দারুণ একটি দল নিয়েই মাঠে নামতে যাচ্ছে। আর এই পিএসজি এবার ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় দাবীদার হয়ে উঠতেই পারে।