ঢাকা বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০

টেস্ট দল নতুন করে সাজানো উচিত

লেখা লেখি কম হয়নি। বিভিন্ন তারকাদের পারফর্মেন্সও উঠে এসেছে পত্রিকায় পাতায়। কিন্তু তাতে কার কি এমন একটা অবস্থা বোর্ডে থাকা লোকজনদের। ব্যাপারটা এমন যে-যে যা খুশি বলুক, সিদ্ধান্ত তো আমাদের হাতেই। তাই ওসব নিয়ে ভাবার দরকার নেই।

কিন্তু বিষয়টা কি মোটেও এমন? যদি এমন হত তাহলে তো দিনের পর দিন ব্যর্থ হওয়ার পর কথা উঠার কথা না। আর যদি কথা উঠেই তাহলে কেন আবার সেই একই ভুল করা থেকে বিরত থাকিনা আমরা সেটা কেবল বোর্ডের লোকজনই ভালো বলতে পারবে।

বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচগুলো দেখলে বুঝাই যায় কারোই টেষ্ট খেলায় মন নেই। জোর করে পাঠিয়ে দেয়ার কারণে তাদের খেলতে হচ্ছে। আবার না করলেও যদি বোর্ড ক্ষিপ্ত হয় তাই কেউ নাও বলে না।

কিন্তু এভাবে কত দিন চলবে? এই দল দিয়ে কি আসলেই টেষ্ট খেলা হবে? এদের কি টেস্ট খেলার মানসিকতা আছে? আর কত বছর ধরে শিখবে তারা? অবসরের পর শিখলে সেটা কি কাজে আসবে?

শোনা যাচ্ছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে টেস্ট থেকে অবসর নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। এটা অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য খুব ভালো একটি সিদ্ধান্ত। কিন্তু কেবল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদই নয়, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, রুবেল হোসেন, এবাদত হোসেনদের দিয়ে কোনদিন টেস্ট ক্রিকেট হবে না। সেজন্য একটা পারফেক্ট দল গঠন করা দরকার যারা প্রথম দিকে খারাপ করলেও ধীরে ধীরে পরিণত হবে এবং একটা দলই খেলতে থাকবে অনেক দিন।

ইমরুল কায়েস, সাদমান, সাইফ হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মার্শাল আইয়ূবের মত তারকাদের পরিচর্যা করে একটা টেষ্ট দল গঠন করা উচিত যারা কিছুদিন কেবল টেস্টই খেলবে। অর্থাৎ একটা আলাদা দল প্রায় গঠন হয়ে যাবে এদের দিয়ে। বাংলাদেশে অনেক তরুণ পেসার আছে যারা ভালো করার ক্ষমতা রাখে। তাদের সুযোগ দেয়া উচিত এবং উচিত তাদের নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা করার।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের এখন যে তারকারা আছে তারাও তো ম্যাচ হেরেই যাচ্ছে। তাই দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করলে বাংলাদেশের হার বেশি হবে এমনটা যদি কেউ ভেবে থাকে সেটা তার মনেই চাপা দেয়া উচিত। কেননা- এখন যারা আছে তারাও জিতছে না। তাই বাংলাদেশের উচিত নতুন করে সবকিছু পরিকল্পনা করার। এভাবে খেলতে থাকলে টেস্ট ক্রিকেট থেকে খেলোয়াড়, ভক্ত সবারই মন উঠে যাবে।