শুভ জন্মদিন লিজেন্ড শোয়েনস্টেইগার

বাস্তিয়ান শোয়েনস্টেইগার, জার্মান ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একজন তারকা, একজন লিজেন্ড। ফুটবল বিশ্বে তাকে অপছন্দ করে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা। ১৯৮৪ সালের পহেলা আগষ্ট দুনিয়ার বুকে আসেন সবার ভালোবাসার শোয়েনস্টেইগার।

যখন তিনি জন্মগ্রহন করেন তখন সাধারণ একটা শিশুর মতই ছিলেন। কিন্তু কে জানত এই শিশুই একদিন সমগ্র জার্মানীর ভালোবাসার পাত্র হবে।

ক্যারিয়ারের শুরুতে হয়তো বাস্তিয়ান নিজেও জানতেন না তার জন্য কি অপেক্ষা করছে। তিনি যে এতটা ভালোবাসা পাবেন সেটা হয়তো কল্পনাও করেননি। কিন্তু মানুষ তো কত কিছুই না চাইতেও হয়ে যায়।

১৯৯৮ সালের ১লা জুলাই ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় আসে শোয়াইনস্টাইগার এর। জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে তার চুক্তি হয়। তবে শুরুটা হয় যুব দলে।

চার বছর সেখানে কাটান তিনি। দুর্দান্ত পারফর্ম করেন এবং সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

বায়ার্নের হয়ে অনেক সফলতা অর্জন করেছিলেন তিনি। রয়েছে কিছু হতাশার গল্পও। ২০১২ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালে চেলসির বিপক্ষে হারের ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছিলেন তিনি।

তবে আক্ষেপটা বেশি দিন পুষিয়ে রাখতে হয়নি। পরের মৌসুমেই বায়ার্নের হয়ে ট্রেবল জিতে হতাশার গ্লানি মুছে ফেলেন। এ সময় তার কোচ ইয়ুপ হেইঙ্কেস বলেন, “বাস্তিয়ান শোয়াইনস্টাইগার বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার। আমি চাই সে, থমাস মুলার বা ফ্রাঙ্ক রিবেরি ব্যালন ডি’অর জিতুক।

শোয়েনস্টেইগার ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত জার্মান জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। জাতীয় দলে তার ১২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১২১ ম্যাচে গোল করেছেন ২৪ টি। ২০১৪ সালে জিতেছেন সর্বোচ্চ শিরোপা বিশ্বকাপ। মিডফিল্ডে তার অসীম শক্তি দেখে তাকে বলা হতো “মিডফিল্ড মোটর”।

৩১ই আগস্ট ২০১৬ সালে ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে জার্মানির হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন বাস্তিয়ান শোয়ানস্টাইগার। ফুটবল আকাশ থেকে আরেকটি নক্ষত্র ঝড়ে পড়ে সেদিন।

আজ তার জন্মদিন। জন্মদিনে তার জন্য রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

লেখা: আলআমিন

[স্পোর্টস প্রতিদিন দিচ্ছে আপনাদের লেখা প্রকাশের সুযোগ। নিজের পছন্দের কোন বিষয় নিয়ে লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের কাছে]

Related posts

Leave a Comment