একজন প্লেয়ার ব্যালন ডি অর জিতলে কত টাকা পায়

ফুটবলে ব্যক্তিগত সবচেয়ে বড় পুরষ্কার হচ্ছে ব্যালন ডি অর। ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন বছরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত করে তার হাতে তুলে দেয় ব্যালন ডি অর ট্রফি।

ব্যালন ডি অর দেয়া হয় মূলত ভোটের মাধ্যমে। সারা বিশ্বের বিভিন্ন জাতীয় ফুটবল দলের কোচ, অধিনায়ক এবং নির্বাচিত কিছু সাংবাদিকরা ভোট প্রদান করে থাকেন ব্যালন ডি অর নির্বাচনে।

ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যালন ডি অর জিতেছেন লিওনেল মেসি। ৬টি ব্যালন ডি অর জিতেছেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যালন ডি অর জিতেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

ব্যালন ডি অরের এত মর্যাদা, এত সম্মান, এটা পাওয়ার জন্য প্লেয়াররা এত এত পরিশ্রম করে, এত স্বপ্ন দেখে- কিন্তু মনে আসতেই পারে এত চাহিদাসম্পন্ন ব্যালন ডি অরের প্রাইজমানি কত?

উত্তরটা শুনলে হয়তো আপনিও থতমত খেয়ে যেতে পারেন। কেননা ব্যালন ডি অরের প্রাইজ মানি মাত্র ৩৫০০ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ লাখ টাকা।

এখানে প্রশ্ন আসতে পারে যে, তাহলে কি যারা ব্যালন ডি অর জিতেন তারা কি শুধু ৩৫০০ ডলারই পেয়ে থাকেন? উত্তরটা হবে না। তাদের আয় আরও অনেক বেশি।

এর সঙ্গে স্পন্সর, ক্লাবের ব্র্রান্ড ভ্যালু সম্পৃক্ত থাকে। ২০১৮ সালে যখন লুকা মড্রিচ ব্যালন ডি অর জিতেছিলেন তখন তিনি রিয়াল মাদ্রিদের থেকে ১.২ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন। রোনালদোও রিয়ালে প্রতিটা ব্যালন ডি অরের জন্য ১.২ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন।

২০১৩ সালের পর লিওনেল মেসি যতগুলো ব্যালন ডি অর জিতেছেন সবগুলোতেই তিনি পেয়েছিলেন ১.২ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু নেইমারের আবার পিএসজির সঙ্গে যেভাবে চুক্তি রয়েছে তাতে নেইমার যদি কখনও ব্যালন ডি অর জিতেন তাহলে তিনি পাবেন ৩.৫ মিলিয়ন ডলার।

ব্যালন ডি অর কর্তৃপক্ষ প্লেয়ারদের ব্যালন ডি অর জেতার জন্য বলতে গেলে তেমন কোন টাকাই দেয় না। তবে প্লেয়াররা ব্যালন ডি অর পেলে ক্লাব তাদের পুরষ্কৃত করে। সঙ্গে ব্যক্তিগত স্পন্সর থাকলে তারাও পুরষ্কৃত করে।

Related posts