আর্চার ওকসের তান্ডবে কুপোকাত অস্ট্রেলিয়া

টার্গেট মাত্র ২৩২ রান। এই রানও করতে পারলো না অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে এমন জয়ের সুযোগ হাতে পেয়েও তারা অল আউট হয়েছে মাত্র ২০৭ রানেই।

অস্ট্রেলিয়াকে অল্পতে অলআউট করার পেছনে নেতৃত্ব দেন দুই পেসার ক্রিস ওকস এবং জোফরা আর্চার। দুজনের মারাত্মক বোলিংয়েই আটকে যায় অসিরা।

২৩২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৩৭ রানেই ২ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ওয়ার্নার ৬ ও স্টোইনিস নয় রান করে আউট হন। দু্টি উইকেটই নেয় আর্চার।

এরপর ফিঞ্চ এবং লাবুসানে ১০৭ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন। এই জুটিতে মনে হচ্ছিলো জয়টা কেবল সময়ের ব্যাপার অস্ট্রেলিয়ার জন্য। দলীয় ১৪৪ রানের মাথায় গলার কাটা হয়ে উঠা এই জুটি ভাঙেন ওকস। ৪৮ রান করা লাবুসানেকে আউট করে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরান তিনি।

এরপর আর্চারের আঘাত। মাত্র ১ রান করেই ফিরে যান মিশেল মার্শ। মার্শের বিদায়ের পরপরই ৭৩ রান করা ফিঞ্চ এবং ১ রান করা ম্যাক্সওয়েলকে আউট করেন ওকস। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ের মেরুদন্ড ভেঙে যায় সেখানেই।

ততক্ষনে ক্রিস ওকস এবং আর্চার দুজনেই ১০ ওভার করে সম্পন্ন করেন। ওকস ১০ ওভারে ৩২ রানে তিনটি এবং আর্চার ১০ ওভারে ৩৪ রানে তিনটি করে উইকেট শিকার করেন।

এই দুজনের বোলিং শেষ হওয়ার পর দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নেন স্যাম কুরান। কামিন্স, স্টার্ক এবং জাম্পাকে আউট করেন তিনি। মধ্যখানে কিছুটা লড়াই করা আলেক্স ক্যারেকে (৩৬) আউট করেন আদিল রশিদ। শেষ পর্যন্ত ৪৮.৪ ওভারে অল আউট হয় অস্ট্রেলিয়া।

এর আগে প্রথমে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ২৩২ রান করে ইংল্যান্ড। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যেতে পারত ওপেনার জেসন রয়। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি।

রয় শূন্য রানে আউট হওয়া থেকে বাঁচলেও বাঁচেনি বেয়ারস্টো। ৭ বলে ০ রানে স্টার্কের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। জীবন পাওয়া জেসন রয়ও বেশিদূর যেতে পারেনি। আউট হয়েছে ২১ রান করেই।

মরগান ও জো রুট মিলে এরপর ইনিংস মেরামতের কাজ করেন। ৬১ রানের জুটি গড়েন তারা। কিন্তু রুট ৩৯ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। এরপর আবার শুরু হয় উইকেট পতনের মিছিল।

বাটলার ৩, বিলিংস ৭ রান করে আউট হয়ে ইংল্যান্ডের উপর চাপ বাড়ান। এরমধ্যে মরগানও ফিরে যান ৪২ রানে। দেড়শ রানের আগেই স্যাম কুরান এবং ক্রিস ওকসেও হারায় ইংল্যান্ড। ১৪৯ রানে ৮ম উইকেটের পতন ঘটে দলটির।

সেখান থেকে ইংল্যান্ডের রান ২৩১ হওয়ার পেছনে বড় অবদান টম কুরান এবং আদিল রশিদের। টম কুরান ৩৯ বলে ৩৭ এবং আদিল রশিদ ২৬ বলে ৩৫ রান করে এই রান করার পেছনে বড় অবদান রাখেন।

Related posts

Leave a Comment