ডাবল সেঞ্চুরিতে অসম্ভবকে সম্ভব করল অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে গতরাতে অবিশ্বাস্য এক জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ের ফলে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া।

তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে গতরাতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ৩০২ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে একটা সময় অস্ট্রেলিয়ার নিশ্চিত হার মনে হলেও তারাই ২ বল বাকি থাকতে জয় লাভ করে।

ম্যাচে যারা জিতবে তারাই সিরিজ জিতবে, এমন সমীকরণ মাথায় নিয়ে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে ইংল্যান্ড। ০ রানেই দুই ব্যাটসম্যান জেশন রয় ও জো রুটকে হারায় ইংল্যান্ড। হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল স্টার্কের সামনে। তবে সেটা আর হয়নি মরগানের কারণে।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে মরগান ও বেয়ারস্টো মিলে ৬৭ রান যোগ করে। মরগান ২৩ রান করে আউট হলে এই জুটি ভাঙে। মরগানের পর বাটলারও মাত্র ৮ রান করেই ফিরে যান।

৯৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর বিলিংস ও বেয়ারস্টো মিলে ১১৪ রানের জুটি করেন। বিলিংস ৫৮ বলে ৫৭ রান করলে ভাঙে এই জুটি। এরপরই আউট হন বেয়ারস্টো। তবে তার আগে ১১২ রান করেন তিনি।

২২০ রানের মাথায় বেয়ারস্টোর বিদায়ের পর ইংল্যান্ডের রান ৩০০ পাড় করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখেন ক্রিস ওকস। ৩৯ বলে ৫৩ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেন তিনি। সঙ্গে টম কুরান ১৯ ও আদিল রশিদ ১১ রান করেন।

জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ৭৩ রানেই প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। ওয়ার্নার ২৪, ফিঞ্চ ১২, স্টোইনিস ৪, লাবুসানে ২০, মিশেল মার্শ ২ রান করে আউট হন।

এরপরই আলেক্স ক্যারে ও ম্যাক্সওয়েল হাল ধরেন। দুজনে মিলে ২১২ রানের এক জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে ফিরিয়ে আনেন। মাত্র ৯০ বলে ১০৮ রান করা ম্যাক্সওয়েলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে দলীয় ২৮৫ রানের মাথায় ভাঙে এই জুটি।

ম্যাক্সওয়েলের বিদায়ের পর জোফরা আর্চারের বলে দলীয় ২৯৩ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১০৬ রান করে বিদায় নেন আলেক্স ক্যারে।

শেষ ওভারে তখন নতুন দুই ব্যাটসম্যান প্যাট কামিন্স ও মিশেল স্টার্ক। প্রয়োজন ১০ রানের। বোলিংয়ে আসেন আদিল রশিদ। ব্যাটিং প্রান্তে সদ্যই নামা স্টার্ক। প্রথম বলেই মারেন ছক্কা। পরের বলে নেন এক রান।

চার বলে দরকার তিন রান। কামিন্স গিয়ে তৃতীয় বলে এক রান নেন। চতুর্থ বলে চার মেরে খেলা শেষ করে দেন স্টার্ক।

Related posts

Leave a Comment