অথচ মেসি, হাকিমিদের ছাড়াই ফাইনালে উঠেছিল পিএসজি

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে পিএসজি সভাপতি নাসের আল খেলাইফি। এতটাই মরিয়া যে টাকার দিকে আর তাকাচ্ছেন না। যেখানে যা প্রয়োজন তার দ্বিগুন খরচ করছেন তিনি।

কিন্তু প্রাপ্তির খাতায় বরাবরের মত শূন্যতাই থাকছে। চলতি মৌসুমেই যেমন এমন তারকাবহুল দল গড়েও চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হচ্ছে রানার্সআপ হয়ে।

রানার্সআপ হয়ে গেলেও সমস্যা ছিল না যদি তাদের খেলা মন মাতানো হত। কিন্তু সেখানেও অসহায় অবস্থা। থমাস টুখেলের পিএসজির সঙ্গে পচেত্তিনোর পিএসজির পার্থক্য যেন অনেক বেশি। অথচ টুখেলের দলের চেয়ে পচেত্তিনোর দলে তারকা আরও বেশি।

থমাস টুখেল যখন পিএসজির কোচ ছিলেন তখন তার দলের আক্রমন ভাগ সামলিয়েছে নেইমার, এমবাপ্পে ও কাভানি। কখনও কখনও নেইমার এমবাপ্পের সঙ্গে ডি মারিয়াকে দেখা গেছে।

পারেদেস, ইদ্রিসা গুয়ে, ভেরাত্তি, পেরেইরা, হেরেরারা সামলেছেন মাঝমাঠ। ডিফেন্সেও তখন ছিল না হাকিমির মত রাইটব্যাক কিংবা মেন্ডেসের মত লেফটব্যাকরা।

অথচ সেই দল নিয়েই থমাস টুখেল পিএসজিকে নিয়ে গিয়েছিলেন ফাইনালে এবং সেই ফাইনালে ভাগ্যটা তাদের সঙ্গী হলে জিতেই আসতে পারতেন।

এরপর টুখেল বরখাস্ত হল। পচেত্তিনো কোচ হয়ে আসলেন। আর পিএসজি সভাপতি পচেত্তিনোকে আরও শক্তিশালী দল গঠন করে দিলেন। লিওনেল মেসি, হাকিমি, রামোস, মেন্ডেস, উইজনালডামের মত প্লেয়ারদের এনে দিলেন।

আর ফলাফল? মেসি নেইমার এমবাপ্পে একসঙ্গেই জ্বলেই উঠতে পারছেন না। মাঝমাঠ থেকে যেন তারা কোন সাপোর্টই পাচ্ছেন না। আক্রমনাত্মক খেলা বলতে যা বুঝায়, চোখ জুড়ানো খেলা বলতে যা বুঝায়, সেটা দেখাতে পারছেনা তারা।

এর কারণ কি? পচেত্তিনো তাদের ঠিকমত খেলাতে পারছে না? নাকি পচেত্তিনোর কৌশলই কাজে লাগছে না?

Related posts