বার্সার চেয়ে বেশি ক্ষতিটা হয়েছে কৌতিনহোরই

চারদিকে কেবল কৌতিনহোর নাম। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে শুধু তার নামেই জয়ধ্বনি। কি ছিল না তার? ভক্তদের ভালোবাসা, কোচের আস্থা, বিশ্বসেরা মিডফিল্ডারের তকমা, ব্যালন ডি অরের সম্ভাবনা।

কিন্তু যখন স্বপ্নের ক্লাব বার্সালোনা থেকে ডাক আসে তখন যেন সবকিছুই গৌন হয়ে যায়। মুখ্য হয়ে যায় কেবল স্বপ্ন পূরণের ইচ্ছা। যেখানে রয়েছে অনেক টাকার বেতনের হাতছানি, রয়েছে অনেক শিরোপা জেতার হাতছানি।

একদিকে সম্মান ভালোবাসা, অন্যদিকে স্বপ্ন পূরণ, কৌতিনহো বেছে নেন দ্বিতীয়টাই। আর সেটাই কাল হয়ে আসে তার ক্যারিয়ারে। বার্সালোনাতে আসার পর কোতিনহোর গল্পটা কেবলই হতাশার।

রেকর্ড ১৪০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কেনা কৌতিনহো এখন বার্সাতে উটকো ঝামেলার মতই। তাকে কোন রকম ভাবে বিদায় করতে পারলেই যেন বাঁচে বার্সা।

বার্সা কয়েকটা ট্রান্সফার মৌসুম ধরেই চেষ্টা করছিল কৌতিনহোকে বিক্রি করতে। অবশেষে সেই সুযোগটা যেন এবার আসছে। ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলা তাকে কিনতে চাচ্ছে। তবে আপাতত লোনে নিবে ৬ মাসের জন্য। সেখানে একেবারে কিনে নেয়ার অপশন থাকবে, কিন্তু কিনতেই হবে এমন বাধ্যবাধকতা থাকতে পারবে না।

কৌতিনহোকে কিনে বার্সার ক্ষতি হলেও কৌতিনহোকে বিক্রি করে লাভটা হয়েছে লিভারপুলেরই। তাকে বিক্রির বিশাল অংকের টাকা তারা খরচ করে নিজেদের দলকে শক্তিশালী করতে তারা কয়েকজন প্লেয়ার কিনেছে। আর সেই ফলাফলও তারা পেয়ে যায় লিগ শিরোপা এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের মধ্য দিয়ে।

কৌতিনহোকে বিক্রি করে লাভবান হয়েছে লিভারপুল। তারা দলকে শক্তিশালী করেছে। জিতেছে শিরোপা। বার্সালোনার ক্ষতি হয়েছে কৌতিনহোকে কিনে। কেননা তাদের ১৪০ মিলিয়ন ইউরোর প্লেয়ার তাদের কোন কাজেই আসেনি। তবে বার্সালোনা এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে হয়তো শীগ্রই।

কিন্তু লিভারপুল ছেড়ে গিয়ে কৌতিনহোর যে ক্ষতিটা হয়েছে সেটা আদৌ পূরণ করতে পারবেন কিনা সেটাই বড় প্রশ্ন। কেননা হারিয়েছেন ফর্ম, হারিয়েছেন ব্রাজিল দলে জায়গা।

Related posts