রোনালদিনহোর কারণে রোনালদোকে কিনেনি বার্সালোনা

বার্সালোনা তারকা লিওনেল মেসির গ্রেট শিক্ষক ছিলেন রোনালদিনহো। লিওনেল মেসি যখন তরুণ ছিল তখন দিনহো তাকে আজকের মেসি হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু একেবারেই বিপরীত জিনিস হতে পারত মেসির ক্ষেত্রে। আবার বিপরীত হতে পারত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ক্ষেত্রেও। হয়তো মডার্ন ফুটবলে মেসি এবং রোনালদোর ইতিহাসই পাল্টে যেত। বার্সালোনা তখন দিনহোকে কেনার জন্য পরিকল্পনা করছে। তখন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাম উঠে এসেছিল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো তখন স্পোর্টিং লিবসনে ছিল। তখন ম্যানইউর সঙ্গে তার কথাবার্তা চলছিল। ম্যানইউ ১৯ মিলিয়নে রোনালদোকে কেনার জন্য অফার করেছিল। কিন্তু রোনালদোর একজন এজেন্ট বার্সাকে ১৭ মিলিয়নের অফার করেছিল। বার্সালোনা…

Read More

একাদশে থাকলেই বিধ্বংসী ভিনিসিয়াস

টটেনহামের নতুন সাইনিং ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার কার্লোস ভিনিসিয়াস। পর্তুগীজ লিগে দুর্দান্ত খেলার কারণে তাকে দলে আনে স্পার্সরা। আর টটেনহামে আসার পর যখনই সুযোগ পাচ্ছেন নিজেকে প্রমান করেছেন তিনি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার সুযোগ মিলছেনা তার। তবে এফএ কাপ কিংবা ইউরোপা লিগে কিছু সময় খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আর যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন নিজেকে প্রমান করেছেন। টটেনহামের হয়ে এখনো পর্যন্ত পাঁচটি ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন ভিনিসিয়াস। এই পাঁচটি ম্যাচে তিনি গোল করেছেন ৬টি, অ্যাসিস্ট করেছেন তিনটি। লাসকের বিপক্ষে দুটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন ভিনিসিয়াস। রয়্যাল অ্যান্টওয়ার্পের বিপক্ষে গোল বা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। লুডুগোরেটসের বিপক্ষে জোড়া…

Read More

কোন টুর্নামেন্টে কোন দল সবচেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জানুন

ফুটবলাঙ্গনে অনেকগুলো টুর্নামেন্ট রয়েছে। এই যেমন ফিফা বিশ্বকাপ, উয়েফা ইউরো কাপ, কোপা আমেরিকা, ফিফা কনফেডারেশন কাপের মত বড় বড় আসরগুলো। এছাড়াও ক্লাব ফুটবলে রয়েছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, উয়েফা ইউরোপা লিগ, উয়েফা সুপার কাপ, ক্লাব বিশ্বকাপ, কোপা লিবার্তাদোরেস, কোপা সৌদামেরিকানা। এইসব টুর্নামেন্টের মধ্যে কোন টুর্নামেন্টে কোন দল সবচেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চলুন দেখা যাক:- ১. ফিফা বিশ্বকাপ- ব্রাজিল পাঁচ বার। ২. উয়েফা ইউরোপা কাপ- জার্মানী এবং স্পেন (৩ বার)। ৩. কোপা আমেরিকা- উরুগুয়ে ১৫ বার। ৪. ফিফা কনফেডারেশন কাপ- ব্রাজিল ৪ বার। ৫. চ্যাম্পিয়নস লিগ- রিয়াল মাদ্রিদ ১৩ বার। ৬. উয়েফা…

Read More

জিদানের রিয়ালের কাছে মেসি বার্সা ও সিমিওনের অ্যাতলেটিকো শিশু!

রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেয়াটা এমনিতেই কঠিন। তারউপর আবার বার্সালোনার যখন চারদিকে জয়জয়কার ঠিক ওই সময়েই রিয়ালের দায়িত্ব নিলেন জিদান। তারমধ্যে আবার আছে সিমিওনের অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ যারা ইউরোপে নিজেদের শক্তিশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে চলছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, জিদান রিয়ালকে যেন আরও এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। নিজের জাদুর পরশে ক্লাবটিকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে সেখানে যেন বার্সালোনা বা অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ শিশু। জিদান রিয়ালের কোচ হিসেবে ছিলেন দুই মেয়াদে। প্রথম মেয়াদে রিয়ালকে আড়াই বছরে তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতিয়ে সেচ্ছায় চলে গিয়েছিলেন। এরপর ফের আসলেন এবং রিয়ালকে…

Read More

২০২০ সালে বার্সালোনার কিছু বিশেষ মুহূর্ত

২০২০ সালটি বার্সালোনার জন্য ভালো কাটেনি। এই বছর তারা সবকিছুতেই ছিল পিছিয়ে। লা লিগা শিরোপা জিততে পারেনি। জিততে পারেনি ঘরোয়া কোন শিরোপা। চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নিয়েছে যাচ্ছেতাই ভাবে হেরে। মেসিও এই বছরই ক্লাব ছাড়ার জন্য চেষ্টা করেছিল। সব মিলিয়ে ২০২০ সালে বার্সালোনার কিছু বিশেষ মুহূর্ত চলুন দেখা যাক: ১. স্প্যানিশ সুপার কাপে হার দিয়ে শুরু বার্সার। ২. ভালভার্দে বরখাস্ত এবং সেতিয়েনের আগমন। ৩. বায়ার্নের কাছে ৮-২ গোলের হার। ৪. মেসিইর ক্লাব ছাড়তে চাওয়া। ৫. কোম্যানের আগমন। ৬. সুয়ারেজের চলে যাওয়া। ৭. সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট সংগ্রহ। ৮. বার্তামেউর পদত্যাগ।

Read More

২০২০ সালে বিশ্বের সেরা ১০০ প্লেয়ারের তালিকা করল গার্ডিয়ান

২০২০ সালে বিশ্বের সেরা ১০০ পুরুষ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ করেছে গার্ডিয়ান। তাদের প্রকাশিত তালিকায় শীর্ষে আছে বায়ার্ন মিউনিখ তারকা রবার্ট লেভানদস্কি। দ্বিতীয় স্থানে আছে লিওনেল মেসি। তৃতীয় স্থানে আছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। চতুর্থ স্থানে আছে কেভিন ডি ব্রুইন। পঞ্চম স্থানে আছে সাদিও মানে। ৬ষ্ঠ স্থানে আছে হালান্ড, সপ্তমে আছে কিলিয়ান এমবাপ্পে। অস্টম স্থানে আছে সালাহ, নবম স্থানে আছে নেইমার এবং দশম স্থানে আছে ভ্যান ডাইক। রিয়াল মাদ্রিদের বেনজামা আছে ১২ নম্বরে, সার্জিও রামোস আছে ১৩ নম্বরে। বায়ার্নের মুলার ১৪, ন্যয়ার আছে ১৫ নম্বরে, গ্যানাব্রে ১৬ নম্বরে। আরনল্ডের অবস্থান ১৮, হ্যারি কেইন…

Read More

পেনাল্টি ছাড়া কার গোল গড় কেমন দেখুন

২১ শতাব্দিতে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে খেলা তারকাদের মধ্যে যারা পেনাল্টি ছাড়া নুন্যতম ১৫০ গোল করেছে (ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে) এমন তারকাদের মধ্যে কার গোল গড় কেমন? পেনাল্টি ছাড়া প্রতি ৯০ মিনিটে মেসির গোলের গড় ০.৭৭। দুই নম্বরে আছে রবার্ট লেভানদস্কি। তার গড় ০.৬৮। তিনে আছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং রোনালদো নাজারিও। দুজনের গোল গড়ই ০.৬৭। সার্জিও অ্যাগুয়েরুর গোল গড় ০.৬৪। সুয়ারেজ এবং হ্যারি কেইনের গোল গড় ০.৬৩। ইব্রাহিমোবিচের গোল গড় ০.৫৭। বেনজামার গোল গড়ও ০.৫৭। পেনাল্টি ছাড়া নেইমারের গোল গড় ০.৫৬।

Read More

২০২০ সালে মেসি রোনালদোর পারফর্মেন্স

২০২০ সালে মেসির পারফর্মেন্স: ২০২০ সালে বার্সালোনা তারকা লিওনেল মেসি মোট ম্যাচ খেলেছেন ৪৮টি। গোল করেছেন ২৭টি এবং অ্যাসিস্ট করেছেন ১৯টি। কেবল মাত্র ক্লাবের হয়ে ২০২০ সালে ৪৪টি ম্যাচ খেলেছেন মেসি। এই ৪৪ ম্যাচে মেসি গোল করেছেন ২৬টি এবং অ্যাসিস্ট করেছেন ১৯টি। দেশের হয়ে লিওনেল মেসি ২০২০ সালে ম্যাচ খেলেছেন ৪টি। গোল করেছেন ১টি, কোন অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। ২০২০ সালে কেবল লিগে মেসি ম্যাচ খেলেছেন ৩৪টি। গোল করেছেন ১৯টি এবং অ্যাসিস্ট করেছেন ১৬টি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ২০২০ সালে ম্যাচ খেলেছেন ৭টি। গোল করেছেন ৪টি এবং অ্যাসিস্ট করেছেন ২টি। কোপা ডেল রে…

Read More

সালাহর উচিত রিয়ালকে ঘৃণা করা

কিছুদিন আগেই লিভারপুলের মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহ জানিয়েছিলেন ভবিষ্যতে তিনি বার্সালোনা বা রিয়াল মাদ্রিদে হয়তো যেতেও পারেন। তবে এই মুহূর্তে তিনি লিভারপুলকে নিয়েই ভাবছেন। সালাহর এই মন্তব্যের একদিন পরই আবার মিশরেরই সাবেক এক ফরোয়ার্ড জানিয়েছিলেন যে, লিভারপুলে কিছু কারণে হতাশ সালাহ। হয়তো লিভারপুল ছাড়তে পারেন তিনি। চারদিকে যখন সালাহর গুঞ্জন তখন সাবেকজন আলড্রিজ জানালেন, সালাহর উচিত রিয়াল মাদ্রিদকে ঘৃণা করা। তিনি বলেন, “যখন সালাহর মানের কোন প্লেয়ার থাকবে তখন তার সঙ্গে মাদ্রিদ বা বার্সার গুঞ্জন থাকবেই। টটেনহামের হ্যারি কেইন কিংবা লিভারপুলের সাদিও মানের বেলাতেও একই কথা প্রযোজ্য। “ব্যক্তিগত ভাবে আমি…

Read More

চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসি রোনালদো নেইমারের পরিসংখ্যান

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক ক্রিশ্চিয়ান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এখনো পর্যন্ত ১৭৮টি ম্যাচ খেলে ১৩৫টি গোল করেছেন পর্তুগীজ এই তারকা। এই ১৩৫টি গোলের মধ্যে ১৯টি গোল রোনালদো করেছেন পেনাল্টি থেকে। সঙ্গে করেছেন ৪১টি অ্যাসিস্ট। সব মিলিয়ে ১৭৮ ম্যাচে সরাসরি ১৭৬ গোলে জড়িত তিনি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন লিওনেল মেসি। তিনি ১৪৭টি ম্যাচ খেলেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগে। তিনি গোল করেছেন ১১৮টি। এই ১১৮টি গোলের মধ্যে পেনাল্টিতে ছিল ১৫টি। অ্যাসিস্ট করেছেন ৩৬টি। ১৪৭ ম্যচে সরাসরি ১৫২ গোলে জড়িত তিনি। এই দুই তারকার পর যার নাম উচ্চারিত হয় তিনি হচ্ছেন নেইমার। চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সা…

Read More